ঢাকা
ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
ঢাকা
ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
Home অন্যান্য...ভিন্ন স্বাদের খবরশি চিনপিংয়ের হুঁশিয়ারির মুখে ফেরার পথেই তাইওয়ানকে কঠোর বার্তা ট্রাম্পের

শি চিনপিংয়ের হুঁশিয়ারির মুখে ফেরার পথেই তাইওয়ানকে কঠোর বার্তা ট্রাম্পের

by admin

চীনের কাছ থেকে তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে দুই দিনের শীর্ষ বৈঠক শেষে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

শুক্রবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই না কেউ স্বাধীনতা ঘোষণা করুক।’

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে এর আগেই বলেছিলেন, তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করতে হবে না, কারণ তারা নিজেদের আগেই একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দেখে।

চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমের তথ্যমতে, বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, ‘তাইওয়ান প্রশ্নটি চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি ভুলভাবে সামলানো হলে দুই দেশ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে।


দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে সমর্থন দিয়ে আসছে এবং আইন অনুযায়ী দ্বীপটির আত্মরক্ষার সক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করতেও বাধ্য। তবে একই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও বজায় রাখতে হচ্ছে।

ট্রাম্প বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে তিনি ‘কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি’। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে এবং প্রয়োজন হলে শক্তি প্রয়োগের কথাও উড়িয়ে দেয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অবস্থান হলো— তারা তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ‘এক চীন নীতি’ মেনে বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে।

বেইজিং বরাবরই তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তেকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে এসেছে। চীন তাকে আগে ‘ঝামেলা সৃষ্টিকারী’ এবং ‘দুই তীরের শান্তির ধ্বংসকারী’ বলেও আখ্যা দিয়েছিল।

তবে অনেক তাইওয়ানিজ নিজেদের আলাদা জাতির অংশ মনে করলেও বেশিরভাগই বর্তমান অবস্থান বজায় রাখার পক্ষে।

অর্থাৎ, চীনের সঙ্গে একীভূত হওয়া বা আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার কোনোটিই তারা চায় না।
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা ৯ হাজার ৫০০ মাইল দূরে গিয়ে যুদ্ধ করতে চাই না। আমি চাই পরিস্থিতি শান্ত হোক। আমি চাই চীন শান্ত থাকুক।’

ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, তিনি ও শি জিনপিং তাইওয়ান নিয়ে ‘অনেক কথা’ বলেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে রক্ষা করবে কি না সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

ট্রাম্পের ভাষায়, শি জিনপিং তাইওয়ান ইস্যুতে ‘খুবই দৃঢ় অবস্থানে’ আছেন এবং ‘স্বাধীনতার কোনো আন্দোলন দেখতে চান না’।

চীনের সঙ্গে তাইওয়ান ইস্যুতে যুদ্ধের সম্ভাবনা আছে কি না এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি তা মনে করি না। আমরা ঠিক থাকব। শি যুদ্ধ চান না।’
kalerkantho

You may also like

Leave a Comment