বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক তিয়েনআনমেন স্কয়ারে কয়েক দিন ধরেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ এক প্যারেড বা বড় ও সুপরিকল্পিত কোনো আয়োজনের গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
বড় এই ঘটনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল নীরবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে চীন কার্যত দৃশ্যমান একটি আয়োজনের জন্য প্রস্তুত।
এই সফরে আলোচনা, ভোজসভা এবং টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত থাকবে; এটি প্রাসাদ সম্রাটদের প্রার্থনার স্থান ছিল, যেখানে তারা ভালো ফসলের জন্য প্রার্থনা করতেন।
ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং- দুজনেই সম্ভবত আশা করবেন যে এই সফর ফলদায়ক হবে।
বিশ্বের দুই ক্ষমতাধর নেতার এই শীর্ষ বৈঠক আসন্ন অনেক বছরের জন্যও অনেক তাৎপর্যপূর্ণ একটি সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে।
চীনা সেনাদের পাশ দিয়ে লাল কার্পেটের ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারা দুজনেই গাঢ় রঙের স্যুট পরেছেন।
২০১৭ সালে ট্রাম্প চীন সফর করেআসার পর এবারই কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রথম বেইজিং সফর করছেন
মাসের পর মাস যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক ট্রাম্পের কাছে তুলনামূলক কম অগ্রাধিকার পেয়েছে। তার মনোযোগ ছিল ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ, পশ্চিম গোলার্ধে সামরিক অভিযান এবং অভ্যন্তরীণ নানা বিষয়ে।
কিন্তু এই সপ্তাহে চিত্র পাল্টাবে।
বিশ্ব বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ, তাইওয়ানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং উন্নত প্রযুক্তিতে প্রতিযোগিতা- সবই ঝুঁকির মুখে।
