admin
রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডী এলাকা থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর ঝু*লন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ওই এলাকার একটি আবাসিক বাসা থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম জুবাইদা ইসলাম ইতি। তিনি রাবি সমাজকর্ম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
তার বাবা ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজে (আইবিএস) পিয়ন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ইতি মেহেরচণ্ডী এলাকার ওই বাসায় তার মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডী এলাকার একটি আবাসিক বাসা থেকে ওই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আ*ত্মহ*ত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ উদঘাটনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক শঙ্কর কুমার বিশ্বাস জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সমাজকর্ম বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস বলেন, শিক্ষার্থীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক অবসাদ বা বিষণ্নতা থেকে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া ফেলেছে। সহপাঠী ও শিক্ষকরা নিহত শিক্ষার্থীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) আবদুর রশিদ জিতুসহ হল সংসদের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচিত নেতারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় দলটি।
আবদুর রশিদ জিতু ছাড়াও ছাত্রদলে যোগ দিয়েছে জাকসুর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। তারা হলেন- শহিদ সালাম বরকত হলের ভিপি মারুফ হাসান ও জিএস মাসুদ রানা মিন্টু এবং আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের এজিএস রিপন মন্ডল। নবাব সলিমুল্লাহ হলের ভিপি ইবনে শিহাব, আল বেরুনী হলের ভিপি রিফাত আহমেদ শাকিল, আফম কামালউদ্দিন হলের ভিপি জিএম এম রায়হান কবীর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ভিপি অমিত বনিক, নওয়াব ফয়জুননেসা হলের ভিপি বুবলি আহমেদ, বেগম খালেদা জিয়া হলের ভিপি ফারহানা বিথি, মীর মোশাররফ হোসেন হলের জিএস শাহরিয়ার নাজিম রিয়াদ, শহীদ রফিক জব্বার হলের জিএস শরীফুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, এর আগে দীর্ঘ ৩৩ বছর পর গত ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। সকাল ৯টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫ পদের ২০টিতেই ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল জয় লাভ করে। বাকি ৫টির দুটিতে স্বতন্ত্র ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ জয়ী হয়।
সাংবাদিকদের উপর হামলায় প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রতিবাদে ভিসি ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্ত চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়ে বিজ্ঞান ভবন ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় মানি না মানবো না, অথর্ব প্রশাসন, দলকানা প্রশাসনে মানি না মানবো না, সাংবাদিকদের উপর হামলা কেনো প্রশাসন জবাব দে স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা কোনো সাংবাদিক সংগঠনের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করেননি। তবে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা গোপন রাজনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে এসব সংগঠন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি দাবি করেন সাংবাদিকদের একটি অংশকে বাইরে রেখে ‘পাতানো নির্বাচন’-এর মাধ্যমে সমিতি দখল করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবিরের প্রেসক্রিপশনে বর্তমান উপাচার্য সাংবাদিক সমিতির জন্য নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করেছেন, যেখানে শিক্ষক সমিতির সভাপতিকে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
হিমেল বলেন, পূর্ববর্তী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তড়িঘড়ি করে নির্বাচন দেওয়া হয়, যাতে শিবির ও জামায়াতপন্থী সাংবাদিকদের নেতৃত্বে আনা যায়। “আমরা ভিসি স্যারকে বলেছিলাম, সবাইকে নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন দেওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি তা করেননি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ মার্চ জামায়াত-শিবিরের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর নেক্কারজনক হামলা হয়,” বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এই হামলার দায় পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বর্তমান প্রশাসনের ওপর বর্তায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। আবাসন ভাতার প্রসঙ্গ টেনে হিমেল বলেন, জবিয়ানদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আবাসন ভাতা। সেই দাবিতে তারা টানা তিন দিন যমুনার সামনে আন্দোলন করেন। আন্দোলনের ফল হিসেবে বিশেষ বৃত্তির ঘোষণা এলেও এক বছর পেরিয়ে গেলেও বর্তমান প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, হয় বিশেষ বৃত্তি দ্রুত প্রদান করতে হবে, না হলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, সাংবাদিকদের উপর জামাত শিবিরের যে নেক্কারজনক হামলা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এই হামলার পিছনে জামাতপন্থী ভিসির দায় আছে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি করা হয়নি। এ হামলার দায় এবং শিক্ষার্থীদের বৃত্তি না দিতে পারায় এর দায় নিয়ে ভিসিকে পদত্যাগ করতে হবে।
এ সময় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, জাফর আহমেদ,সুমন সরদার ,মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি,মো.শাহরিয়ার হোসেন,মাহমুদুল হাসান, রবিউল আউয়াল,নাহিয়ান বিন অনিক,শাখাওয়াত হোসেন পরাগ,মিয়া রাসেলসহ ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সমর্থিত সংগঠনটির দুই গ্রুপের সংবাদকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবকাশ ভবনের তৃতীয় তলায় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুপক্ষের সংবাদকর্মীসহ অন্তত ২০জন আহত হন। এ ঘটনায় শিবির এবং ছাত্রদল পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ তুলেন। হামলার পরে সমিতির নির্বাচন স্থগিত করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ছাত্রলীগ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মেরে পুলিশের দেওয়ার অভিযোগ, শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি পুলিশি তত্ত্বাবধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ রয়েছে, মারধরের ঘটনায় জড়িতরা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বন্ধু ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেতা আকাশ আলী বলেন, ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে পাভেলকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। তার দাবি, পাভেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৭ মার্চের ভাষণ পোস্ট করেছিলেন, এটিকেই অভিযোগের কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
পাভেলের অভিযোগ, সোমবার ভোরে বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলের ক্যান্টিনে সেহরি খেতে গেলে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। পরে ২০-২৫ জন মিলে তাকে দীর্ঘ সময় মারধর করে এবং পরে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যায়। তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন।
এদিকে এখন পর্যন্ত পাভেলের সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি।
শাহবাগ থানার তদন্ত পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, অসুস্থ অবস্থায় তাকে থানায় আনা হয় এবং বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। সুস্থ হওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রাহ্মণপাড়া (ইউস্যাব) -এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ গঠন করা হয়েছে।
এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ ফজলে রাব্বি ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাঈফ।
সোমবার (৯ মার্চ) ইউস্যাব কো-অর্ডিনেটরদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিটির আঞ্চলিক দায়িত্বে ঢাকা বিভাগের সমন্বয়ক হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আবু রাজিন রুমি এবং চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আবু বকর সিদ্দিক দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া অন্যান্য বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইফুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. সাইফুল ইসলাম, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সংগঠক সোহেল রানা, ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় সংগঠক এনামুল হক, মেডিকেল কলেজ সংগঠক মিনহাজুর রহমান জিম, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংগঠক মো. বোরহান উদ্দিন এবং ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক মো. আকরাম হোসেন।
এছাড়া নতুন কমিটিতে বিভিন্ন বিভাগের সংগঠক হিসেবে ১১ জন, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ০৮ টি ইউনিয়নের সংগঠক হিসেবে ১৬ জন (প্রতিটি ইউনিয়নে একজন ছাত্র ও একজন ছাত্রী) , দেশের ৪২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে ৫৯ জন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ জন শিক্ষার্থী দায়িত্ব পেয়েছেন।
সংগঠকরা জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও শিক্ষা-সংক্রান্ত কার্যক্রম জোরদার করতে ইউস্যাব কাজ করে যাচ্ছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে এ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

দুর্যোগ প্রস্তুতি লড়ব,তারুণ্যের বাংলাদেশ গর্ব এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস–২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে নরসিংদীর পলাশে র্যালি, অগ্নিকাণ্ড ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ পলাশের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ শহীদ মিনার মাঠে এ দিবসটি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এর আগে একটি সচেতনতামূলক র্যালি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্যোগে অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলার উপর একটি বাস্তবভিত্তিক মহড়া প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত সবার মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশতিয়াক আহমেদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা,মোঃ কাউছার আলম সরকার, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, ইউআরসি ইন্সট্রাকটর ,সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আলম মোল্লা,বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্রছাএী,উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন ।
সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ দেশ হওয়ায় যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্যোগের সময় দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে জনগণকে প্রশিক্ষণ ও সচেতন করা প্রয়োজন।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা মহড়ার মাধ্যমে আগুন লাগলে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার কৌশল, নিরাপদে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং দুর্ঘটনার সময় করণীয় সম্পর্কে উপস্থিতদের ব্যবহারিক ধারণা দেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ অব্যাহত থাকলে বিশ্বজ্বালানি বাজারকে বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে পারে। দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত থাকলে এই অঞ্চলের কোনো তেল রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হবে না। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, যুদ্ধের সমাধি কখন এবং কীভাবে হবে তা কেবল তারা নির্ধারণ করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন যে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে, আইআরজিসি তখন জানিয়েছে যে এখন যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে এবং মার্কিন বাহিনী এককভাবে সংঘাত বন্ধ করতে পারবে না। সাম্প্রতিক দিনে ইরানের বিভিন্ন তেল স্থাপনায় হামলার জবাবে, তেহরান পুরো অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহে বাধা দেয়ার পদক্ষেপ নিতে পারে।
আইআরজিসি আরও বলেছেন, যদি তাদের নিজস্ব তেল খাত বা খনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তারা নীরব থাকবে না। ‘তেল বাদে কোনো বাণিজ্য নয়’—এই নীতি অনুসরণ করে তারা পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানি বন্ধ করার সক্ষমতা রাখে। এর ফলে শুধুমাত্র সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাত নয়, এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোরও জ্বালানি সংকটের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
ইরানের এই চরম হুঁশিয়ারির বিপরীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক কঠোর পোস্ট দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালীতে তেলের প্রবাহ বন্ধের চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর ‘মৃত্যু, আগুন ও ধ্বংসযজ্ঞ’ নেমে আসবে।
ট্রাম্পের মতে, এমন পরিস্থিতিতে ইরানের ওপর ২০ গুণ বেশি শক্তিশালী হামলা চালানো হবে, যা একটি রাষ্ট্র হিসেবে তাদের পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানো অসম্ভব করে তুলবে।
স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের পুনর্বহালের দাবি

স্বতন্ত্রভাবে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২৪ এ নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের পুনরায় স্বপদে বহালের দাবি জানানো হয়েছে। আজ ১০ ই মার্চ মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সারা দেশের বিভিন্ন উপজেলার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালে বিভিন্ন ধাপে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ছিল নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ। ওই নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক বা মনোনয়ন ছিল না। সারা দেশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
তারা অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ১৮ ও ১৯ আগস্ট ২০২৪ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা-১ শাখার একাধিক পত্রের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৪ এর ধারা ১৩ (ঘ) প্রয়োগ করে দেশের ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করে। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সাময়িকভাবে প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা প্রশাসনিক দায়িত্বে ব্যস্ত থাকায় তৃণমূল জনগণের সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ সীমিত। ফলে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং নাগরিক সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ বা শুনানি ছাড়াই একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করা হয়েছে, যা সংবিধানের ২৬, ২৭, ৩১ ও ৫৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। এ বিষয়ে একাধিক মামলায় আদালত থেকে ন্যায়বিচার পাওয়া সত্ত্বেও এখনো তাদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে তারা উল্লেখ করেন, অন্যদিকে অতীতে দলীয় প্রতীকে নির্বাচিত অনেক জনপ্রতিনিধি এখনো দায়িত্বে বহাল আছেন। একইভাবে বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের প্রতিনিধিদের অপসারণ করা হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক বলে তারা দাবি করেন।
বক্তারা বলেন, তারা আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব ও বিভিন্ন চাপ উপেক্ষা করে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। ভবিষ্যতেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণের ভোটে আবারও বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী।
সংবাদ সম্মেলনে তৃণমূল পর্যায়ের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা এবং জনগণের সেবার স্বার্থে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত দেশের সকল উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের পুনরায় স্বপদে বহালের জন্য বর্তমান সরকারের মান
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ নির্বাচন ঘিরে সেনাসহ সব বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক বুধবার

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সেনাবাহিনীসহ সব আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামীকাল বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর দেড়টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.) সভাপতিত্ব করবেন।
মঙ্গবার (১০ মার্চ) ইসির উপসচিব মোহাম্ম্দ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ নির্বাচনি এলাকার শূন্য আসনের নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা আগামীকাল বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর দেড় টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষ অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.) এছাড়া সভায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব উপস্থিত থাকবেন। সভায় উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশক্রমে সবিনয়ে অনুরোধ করা হলো।
যাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধান, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, মহাপুলিশ পরিদর্শক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/কোস্টগার্ড/আনসার ওভিডিপি/ডি জিএ ফআ ই/এ নএ সআ ই/এনটিএমসি/র্যা ব-এর মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক [স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)/সিআইডি]।
তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ১৫ই মার্চ এবং ভোট গ্রহণ ৯ এপ্রিল।